এমডি রেমাজুল : বুধবার রাতে চোপড়ায় পুলিশ অভিযান চালানোর সময় গুরুতর আক্রান্ত হয় চোপড়া থানার আধিকারিক ও কনস্টেবল। ঘটনাটি ঘটেছে চোপড়ার আমতল এলকায়। অভিযোগ, কনো একটি কেসে অভিযান চালাতে গেলে সেই সময় তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুষ্কৃতিরা পুলিশের আধিকারিক ও গাড়ির ড্রাইভারের ওপর হামলা চালায়। মোট ৪ জন পুলিশ শিলিগুড়ির একটি বেসরকারী নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন।
গতোকাল রাতে পুলিশের ওপর দুষ্কৃতিদের হামলার বিষয়ে চোপড়ার অঞ্চল প্রেসিডেন্ট তনয় কুন্ডু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, গতোকাল রাতেই ঘটনাটি শুনেছিলাম। সকালে সেখানকার মেম্বার বুথ প্রেসিডেন্টের কাজে জানতে পারলাম, একজনকে ধরতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হয়েছে। পুলিশ মারফত জানতে পেরেছি আমতলার বাসিন্দা দিল মহম্মদ পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
আজকে দিল মহম্মদের ছেলেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে জানতে পেরেছি। এদের সাথে তৃণমূলের কনো প্রকার যোগাযোগ নেই। পূর্বে কংগ্রেসের মেম্বার ছিল দিল মহম্মদ। পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি যারা আইনবিরোধী কাজ করবে তাঁদের বিরুদ্ধে যেন কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হয়।
তনয় বাবু আরো বলেন, আমাদের বিধায়ক হামিদুল রহমান দুষ্কৃতিদের প্রশ্রয় দেয়না কখনই। যারা দুষ্কৃতি তাঁরা চোপড়ায় তৃণমূলের কর্মী হতে পারেনা। তৃণমূল চোপড়ার উন্নয়নের স্বার্থে। আমাদের জননেতা বিধায়ক উনি আমাদেরকে সর্বদা বার্তা দেন, আমরা সর্বদা উন্নয়নের স্বার্থে এগিয়ে যাই এবং ক্রাইম করে তাঁদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই।

অপরদিকে একইদিনে বুধবার গভীর রাতে জলপাইগুড়ি দিন বাজার এলকায় নাকা চেকিংয়ের সময় জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। সেই সময় একটি গাড়িকে দেখে সন্দেহ হলে গাড়িটিকে আটক করতে যায়। অভিযোগ সেই মুহুর্তে পুলিশ কর্মীদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতির দলটি। পুলিশ জানায়, তাঁরা অন্তত ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। এলকার সিসিফুটেজ খতিয়ে দেখে গাড়িটির খোঁজ শুরু করেছে পুলুশ।
