West Bengal : চিন্তায় মহিলারা,তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে তো,অন্নপূর্ণা ভান্ডার নাকি লক্ষীভান্ডার ? জেনে নিন
West Bengal
মুনাই ঘোষ : তৃণমূলকে সরিয়ে এবার রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। শনিবার এককভাবে খমতায় ফেরা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। কিন্তু বাংলার মহিলাদের একটাই চিন্তা “লক্ষীর ভান্ডারের” টাকা ঢুকবেতো ? আদেউকি চালু হবে অন্নপুর্ণার ভান্ডার ? কারন বাংলার বহু মহিলার কাছে সংসার চালানোর অন্যতম সম্বল ছিল “লক্ষীর ভান্ডার।
আরো পড়ুন : Malda : ফোন করে ডেকে নিয়ে বিজেপি সমর্থককে কুপিয়ে খুন ! এই হত্যা নিয়ে কী বলল বিজেপি ও তৃণমূল

কারন দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের কাছে এই আর্থিক সহয়তা ছিল সামাজিক ও মানসিক নিরাপত্তার প্রতীক। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের কাছে এই আর্থিক সহায়তা ছিল সামাজিক ও মানসিক নিরাপত্তার প্রতীক।
রাজনগরের তাঁতিপাড়া পঞ্চায়েতের এলকা রুক্ষ হওয়ায় চাষাবাসের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। এই গ্রমের মহিলাদের শুধুমাত্র বর্ষার সময় ধান রোয়া বা কাটার কয়েকটা দিন বাদ দিলে বিশেষ কাজ জোটেনা।
লক্ষীর ভান্ডার ছিল এই গ্রামের মহিলাদের মুল সম্বল। এই গ্রামের মহিলারা জানিয়েছে আগে পাড়ার মুদির দোকানে ধারে কিছু দিতে চাইতো না। কিন্তু লক্ষীর ভান্ডারের টাকা যেদিন থেকে ঢুকেছে সেদিন থেকে বাকি দেওয়া শুরু করে।
একুশের নির্বাচনের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে এই টাকা পেয়ে এসেছেন বাংলার মহিলারা। অসংখ্য প্রান্তিক মহিলার কাছে এই প্রকল্প হয়ে উঠেছিল আত্মসন্মানের প্রতীক।
বিভিন্ন সিএসপি কেন্দ্রে ভিড় করছেন গ্রামের মহিলারা । তাঁদের হাতে আধার কার্ড, ব্যাংকের পাসবই। প্রত্যেকের একটাই প্রশ্ন…লক্ষীর ভান্ডারের টাকা ঢুকেছে ? কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তর মিলেছে,এখনও টাকা আসেনি।
গ্রামের বহু পরিবারের কাছে লক্ষীর ভান্ডারের এই টাকা শুধুমাত্র সরকারি অনুদান নয়,সংসার চালানোর ভরসা। কেউ এই টাকা দিয়ে সন্তনের টিউশিনের বেতন দেন,কেউ দুধ-ফল কেনেন,কেউ আবার চাল, ডাল বা ওষুধ কিনে মাস কাটান।
সাধারণ মানুষের ভয় ঠিক কোন জায়গায় ? কী বলছে প্রান্তীক এলকার মানুষ :
বাংলায় সাধারণ মানুষের আশঙ্কা শুধু লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে নয়। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবসাথীর মতো জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের ভবিষ্যত এখন বিশবাঁও জলে। কারন বিজেপি এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পগুলোকে খয়রাতির রাজনীতি বলে দেগে এসেছে এবং বারংবার এগুলো বন্ধের পক্ষে সাওয়াল করেছেন। সাধারণ মানুষের ভয় ঠিক সেখানেই।


বিগত প্রায় এক বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রতিবেদন লিখতে পারদর্শী।
