RG Kar : সুপ্রিম নির্দেশকে উপেক্ষা,স্পর্ধা দেখিয়ে শুরু কর্মবিরতি, “সিবিআই জলদি করো নেংটি ছেড়ে ধেড়ে ধরো”
RG Kar
তীর্থঙ্কর মুখার্জি : সুপ্রিম নির্দেশকে কার্যত উপেক্ষা করেই আন্দলোনরত জুনিয়র ডাক্তারেরা পূর্ণ কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। মহলয়ার আগের রাতে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে ফের রাজপথে বড় মিছিল করল ডাক্তাররা। সেই মিছিলে ডাক্তারদের হাতে অভিনব সব ব্যানার পোস্টারে লিখা, “সিবিআই জলদি করো নেংটি ছেড়ে ধেড়ে ধরো”। এদিনের মিছিলে পা মিলাতে দেখা যায় তিলোত্তমার মা-বাবাকেও। পা মেলায় সাধারণ মানুষও।
Table of Contents
এদিনের মিছিলটি কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্রসদন পর্যন্ত চলে মিছিল। মিছিলটি বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট হয়ে মিছিল সোজা চলে আসে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। সেখান থেকে রবীন্দ্রসদনের রানু ছায়া মঞ্চে যায় মিছিল। সোমবর প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও অন্যান্য বিভাগ -সহ সর্ব ক্ষেত্রে পরিষেবা দিতে হবে জুনিয়র ডাক্তারদের।
The strike started in defiance of Supreme’s orders
On Monday, Chief Justice DY Chandrachud clarified that junior doctors have to serve in all areas, including outdoor and other departments of the hospital.
আরো পড়ুন : Actor Govinda was shot : সাতসকালে গুলিবিদ্ধ বলিউড অভিনেতা গোবিন্দা !
কার্যত দেশের সর্বচ্চ আদালতের সেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকেও অগ্রাহ্য করার স্পর্ধা দেখাল জুনিয়র ডাক্তাররা। এর জেরে প্রান্তিক এলকা থেকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা সাধারন মানুষেরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এখন উপচে পড়ছে হাসপাতালগুলিতে রোগীর ভিড়। রোগীর পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, চিকিৎসা করাতে এসে দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে।

আরো পড়ুন : Supreme court : খুন ও ধর্ষণের মামলায় আগামী শুনানিতে প্রধান বিচারপতির রিপোট তলব, টাস্ক ফোর্সের
তাঁদের আরো বড় অভিযোগ চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছে তাঁদের পরিবারের লোকেদের। সোমবার থেকে শুরু হওয়া পূণরায় কর্মবিরতির ডাকে আরো বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। রাজ্য জুড়ে রোগীদের ভোগান্তি আরো চরমে পৌঁছবে।

কারন সাধারণত দুর্গাপুজোর সময় অধিকাংশ সিনিয়র চিকিৎসকেরা ছুটিতে চলে যান। আর ৫৩ দিনের এই পূর্ণ কর্মবিরতির মাঝে এই সিনিয়র চিকিৎসকেরাই দিন-রাত এক করে পরিষেবা দেয়ে চলেছেন।
আরো পড়ুন : Medical expenses : মোদী জামানায় চিকিৎসা খরচ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী, নাভিশ্বাস অবস্থা, কোথায় যাবে মধ্যবিত্তেরা ?

