New deadly virus : লাইন লেগেছে হাসপাতাল ও শ্মসানে, ভয় ধরাচ্ছে নয়া চিনা ভাইরাস করোনা পার্ট ২? কী এই নয়া ভাইরাস ?
New deadly virus
পিঙ্কি শর্মা : করোনা ভাইরাসের পর চিনে এবার নয়া ভাইরাস হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (HMPV) হুহু করে ছড়িয়ে পড়েছে চিনে। হাসপাতালগুলিতে কাতারে কাতারে ভির রোগীদের। ভির দেখা যাচ্ছে শ্মসান ঘাটেও। সকলের মুখে মাস্ক, ঠিক যেন ২০২০ সালের করোনার চিত্র।
Table of Contents
যদিও চিনা প্রশাসনের এই সংক্রমণ নিয়ে এখনো কনো বিবৃতি জারি করা হয়নি। তবে পরিস্থিতির উপর সে দেশের সরকার নজড় রাখছে বলে জানানো হয়েছে। এই অজানা প্যাথোজেন শনাক্ত করতে প্রটোকল তৈরি করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন : Raiganj : ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত বাবা, চিকিৎসাধিন মেয়ে! রাস্তার উপর জ্বলছে ঘাতকগাড়িটি
Is another pandemic brewing in China ? 5 years after Covid, HMVP virus threat looms large
The reports claim that the spike in HMPV cases has led to an alarming increase in sudden deaths, with people aged 40 to 80 being particularly affected
China is facing a surge in multiple viruses, including Influenza A HMPV, Mycoplasma pneumoniae, and Covid-19, overwhelmings hospitas and crematoriums
সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ল্যাবরেটরিতে রিপোর্ট তৈরি ও রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল চিনা সরকার একিভাবে আশ্বাস তো করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগেও দিয়েছিল।
হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (Human Metapneumovirus) ও কোরোনা ভাইরাসের উপসর্গ অনেকটাই এক। দুই ভাইরাস সংক্রামণেই শ্বাসযন্ত্রে সমস্যা হয়। জ্বর ,সর্দি, কাশি , গলা ধরা, গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা যায়।
এই নয়া ভাইরাসে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে হাসপাতালে রোগী ভর্তির হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে প্রথম হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাসের খোঁজ মেলে। এটি নিউমোভিরিডে ভাইরাস পরিবারের অংশ। এই ভাইরাসের সংক্রমণের স্থায়িত্ব সাধারণত ৩ থেকে ৬ দিন হয়।

আরো পড়ুন : Mamata : বাংলাকে ভারত শেরা করায় বাংলা দলকে ৫০ লক্ষ টাকা, প্রত্যেককে সরকারি চাকরির ঘোষণা মমতার
হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাসের উপসর্গ কী
হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাসের উপসর্গ হল ঠান্ডা লাগা,সর্দি-কাশি, গলা ব্যাথার মতো উপসর্গ দেখা দেয় এই ভাইরাস সংক্রমণে। কোভিড-১৯ ভাইরাসের মতই প্রবীণ ও শিশুদের জন্য মারাত্মক। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কম তাঁদের ক্ষেত্রেও সংংক্রামণ হলে তা বেশি আকার নেয়।
এই সংক্রামণ ছড়ানোর আশঙ্কা
করোনা সংক্রামণ ছড়িয়েছিল চিনের লুনার নিউরের উৎসব থেকে। কারন এই সময় বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে চিনা নাগরিকরা দেশে ফেরে নববর্ষ পালন করতে গিয়ে। সেই সময় নিউ ইয়ার উদযাপনের পর চিনের পাশাপাশি বহু দেশে ভাইরাসের হদিস মিলতে শুরু করেছিল।
আরো পড়ুন : Nabanna : প্রাইমারিতে কনো বদল নয়,’সেমিস্টার’ চালুর বিষয়ে ক্ষুব্ধ মমতা,কী বললেন তিনি
একি ভাবে সামনেই চিনের লুনার নিউ ইয়ার রয়েছে। এর থেকেই বড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে না তো ? যদিও চিনা প্রশাসনের তরফে এই সংক্রামণ নিয়ে এখনো কনো বিবৃতি জারি করা হয়নি।
সংক্রমণে প্রতিরোধের উপায় কী
হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস কোভিড-১৯ -এর মতোই ভাইরাস হওয়ায় তাই এর প্রতিরোধের উপায় করোনাকালের নিয়মবিধির মতোই। এই নয়া ভাইরাসের প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সংক্রমণ এড়াতে সাবান দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ভালো করে হাত ধোয়া। এবং প্রত্যহ নিয়মিত হাত ধোয়া। চোখ,নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে এড়িয়ে চলা। এছাড়াও আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্ষ এড়িয়ে চলা।

আরো পড়ুন : Nabanna : প্রাইমারিতে কনো বদল নয়,’সেমিস্টার’ চালুর বিষয়ে ক্ষুব্ধ মমতা,কী বললেন তিনি
