Mukul Roy Passes Aaway :প্রয়াত তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা ও প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়, শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে
Mukul Roy Passes Aaway
কেয়া সরকার : দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজনীতির চানক্য মুকুল রায় রাজনীতি থেকে দুরেই ছিলেন। মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোকের ছায় রাজনৈতীক মহলে। ছেলে শুভ্রাংশু বাবার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৭২ বছর।

সোমবার ( ২৩.২.২৬) রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ সল্টলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান নেতা। মুকুল রায়ের মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের বাইরে ভির জমাতে শুরু করেছেন অসংখ্য মুকুল অনুরাগী।
আরো পড়ুন : Abhishek : তৃণমূলে যোগ প্রতিকুরের,যুব নেতাদের যোগ দানের আহ্বান অভিষেকের! কী চাইলেন,কী বললেন প্রতিকুর?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, রায় ২০১১ সালে বাংলায় বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটানোর পর দলকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মুকুল রায়ের রাজনৈতীক জীবন :
প্রয়াত বর্ষীয়ান নেতা যাকে এক সময় রাজনৈতীক চানক্য বলা হত তিনি দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী ছিলেন। মুকুল রায় তৃণমূলে এক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাইট হ্যান্ড অর্থাৎ দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অবশ্য মাঝে কিছুদিনের জন্য তিনি বিজেপিতেও যোগদান করলেও পরে পূণরায় তাঁর পুরনো দিল তৃণমূলেই ফিরে আসে।
বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে কী জানালেন :
সুভ্রাংশু পুত্র হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরতেই তাঁর বাবার মৃত্যুর খবর পান কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছে। এরপরেই তিনি সংবাদ মাধ্যমে তাঁর বাবা মুকুল রায়ের প্রয়াণের কথা জানান।
তিনি বলেন, বাবা অনেক লড়াইয়েই জিতেছিলেন, কিন্তু এই লড়াইয়ে হেরে গেলেন। আমি হাসপাতাল থেকে চলে আসার পর এটা হছে। চিকিৎসকদের সাথে কথা বলার পর হাসপাতালে ছুটে যাই। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে শোকবার্তা পেয়েছেন কিনা সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কাউকেই জানাতে পারিনি এখনো, হয়তো কেউ জানেই না যে বাবা আর নেই।

আরো পড়ুন : Nabanna : বিধানসভা নির্বাচনের আগে শীর্ষ পুলিশ অফিসারদের রদবদল ! বাংলার কোন গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলিতে এই রদ বদল
