Election Bill Day 18 Live : লোক সভায় পেশ হল “এক দেশ এক ভোট” বিল ! বিরোধীতায় বিরোধীরা
Election Bill Day 18 Live
অমিত শর্মা : কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মঙ্গলবার ১৮তম দিনের শীতকালীন অধিবেশনে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর জন্য লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছেন। ভারতের ব্লক সদস্য টিএমসি, ডিএমকে এবং শিবসেনা (ইউবিটি) বিলটির বিরোধিতা করেছে। যদিও এনডিএ মিত্র টিডিপি বিলটিকে সমর্থন করেছে।
Table of Contents
ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন বিল লোকসভায় গৃহীত হয়েছে যেখানে ২৬৯ জন সাংসদ বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যখন ১৯৮ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

আরো পড়ুন : Sexual Harassment : বিবস্ত্র লোকটার যৌনাঙ্গ দিয়ে ঝড়ছে রক্ত! মহিলার আর্তনাদ…হৈহৈ কান্ড
One Nation One bill admitted in Look Sabha, 296 Mps in favour,198 against
Congress MP Manikom Thakur said, “One country one election” (Lok Sabha) has failed in Parliament today
The opposition has come against the bill
“কংগ্রেস সাংসদ মানিকম ঠাকুর বলেন, আজ সংসদে “এক দেশ এক নির্বাচন” (লোকসভা) ব্যর্থ হয়েছে। এটি সম্পূর্ণরূপে ভুল হয়েছে কারণ তারা সংখ্যাগুলি রাখতে সক্ষম হয়নি। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন ছিল”।
আরো পড়ুন : Breaking : বেজে গেল ভোটের ডঙ্কা,বাংলাদেশে নির্বাচনের ঘোষণা করে দিল ইউনূস! কবে ভোট ?
শিরোমণি আকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও বিলটির বিরোধিতা করে এটিকে ‘বিভ্রান্তি’ বলে অভিহিত করেছেন। “যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা উচিত, জনগণের সমস্যা – সেগুলি সেই ইস্যুতে আসে না। সরকার বা কংগ্রেস কেউই হাউস চালাতে চায় না। ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশনের মাধ্যমে কে খাবার পাবে? কে চাকরি পাবে? কোন কৃষক ইস্যু হবে? এটা কিভাবে মানুষের উপকার করবে?”
অপরদিকে আজ লোকসভায় “এক দেশ এক ভোট” বিল পেশের একদিন আগেই এই বিলের নিতি নিয়ে চরম বিরোধিতা করেন, তৃণমূলের সাংসদ অভেষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দীর্ঘ পোস্ট করেন অভিষেক। সেখানে কার্যত কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই আক্রমণ শানেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন লোকসভায় সংবিধান সংক্রান্ত দুটি বিল পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। বিল দুটি হল একটি সংবিধান (১২৯তম সংশোধনী) বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধনী) বিল। বিল পেশ হতেই বিলের বিরোধীতা করে বিরোধীরা হট্টগোল শুরু করে।

আরো পড়ুন : Zakir Hossain : বেঁচে আছেন,পোস্ট মুছলেন শাহ! আজ জাকিরের মৃত্যু নিশ্চিৎ করল পরিবার
১২ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় বিলটি পশ হতেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা বিশেষজ্ঞ ও বিরোধী নেতাদের দ্বারা উত্থাপিত প্রতিটি বৈধ উদ্বেগকে উপেক্ষা করছে। মমতার দাবি, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত শুধু অসাংবিধানিক নয়, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী। এই বিলের মাধ্যমে বিরোধীদের বুলডোজ করার প্রয়াস।
কংগ্রেস সাংসদ মনীশ তিওয়ারি এই বিলের বিপক্ষে লোকসভার সেক্রেটারিকে নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশ দিবার পর তিনি দাবি করেন, এই বিল দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক। এই বিল দেশের দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে সরাসরি আঘাত করবে। তিনি উদ্বেগের কথা প্রকাশকরে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপে রাজ্যের স্বায়ত্তশ্বাসন, স্থানীয় গণতান্ত্রীক অধিকার ও ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের ঝুঁকি রয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, “এক দেশ, এক ভোট” কোনও নতুন ধারণা নয়। ১৯৫২ সালে প্রথমবারের মতো দেশের সব নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ১৯৫৭ সালে ৮টি রাজ্যের বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল এবং আবার একসঙ্গে ভোট হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

আরো পড়ুন : Samabay Bank Election: কাঁথি সমবায় ভোটে তৃণমূলের বিরাট জয়,ধরাশায়ী BJP!
