Durgapur : দুর্গাপুরে ওড়িশার মহিলা চিকিৎসক পড়ুয়ার গণধর্ষণ কান্ডে অবশেষে গ্রেপ্তার ৩,কী জানাল পুলিশ ?
Durgapur
মুনাই ঘোষ : দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়া নির্যাতিতা। পড়াশোনার সূত্রে ওড়িশার জলেশ্বরের বাসিন্দা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সহপাঠীর সঙ্গে খাবার খেতে বেরিয়ে পৈশাচিক মুহুর্তের সম্মুখীন হন তিনি।
আরো পড়ুন : Jharkhand : মাওবাদী আইইডি বিস্ফোরণে একজন CRPF জওয়ান শহীদ, হাসপাতালে ভর্তি আরো ২

মোবাইল টাওয়ার এবার এই অপরাধের ঘটনায় পুলিশি অভিযানে ৩ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে অবশ্য ধৃতদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। ধৃতরা প্রত্যেকেই স্থানীয়।
সূত্রের খবর ডাক্তারি পড়ুয়া গণধর্ষণকান্ডে ইতিমধ্যেই পুলিশ ৫ জনকে চহ্নিত করে। তাঁদের ছবি পুলিশের হাতে এসেছে। বাকি ২ জন অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল ওই নির্যাতিতার সহপাঠীকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই সহপাঠীর বিরুদ্ধে সন্দেহের আঙুল তুলেছে নির্যাতিতার বাবাও। আজ ধৃতদের দুর্গাপুর আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।
ঘটনার পর শনিবার রাতেই আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। কথা বলেন নির্যাতিতার সহপাঠীর সাথেও। এছাড়াও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলকায় ঘটনাটি ঘটেছে সেটা গভীর জঙ্গল। সেখানে কনো পাকা রাস্তা নেই তাই বাইক বা সাইকেল ছাড়া ঢোকা সম্ভব না। নেই কনো সিসিটভি ক্যামেরা।
ওই ডাক্তারি পড়ুয়া নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নিয়েছেন একজেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
ঠিক কী ঘটেছিলো ?
জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন নির্যাতিতা তাঁর সহপাঠীর সাথেই ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়েছিলো। তিনজন এসে তাঁদের ফোন কেড়ে নেয়। সাথে দুর্ব্যবহার করতে থাকে। এরপর সে সেখানে আরো দুইজন আসে সেখানে।
এরপর সেই দুইজনকে জানান, তাঁর ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পরে দুইজন যে সেখানে এসেছিল তাঁরা তাঁদের মোবাইল থেকে নির্যাতিতার নম্বরে ফোন করে। ওই ফোন নম্বরের সূত্র ধরেই পুলিশ ব্রেক-থ্রু পায় পুলিশ।


বিগত প্রায় এক বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রতিবেদন লিখতে পারদর্শী।
