শান্তি রঞ্জন দাস : বিশ্বের তাবড় তাবড় পদার্থবিদেরা ‘বিগ ব্যাং’ -এর ঠিক পরের মুহূর্তের মহাবিশ্বকে জানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার সেই যুগান্তকারী গনেষণায় রায়গঞ্জের প্রীতম চক্রবর্তীর। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তনী প্রীতম ও তাঁর টিম সম্প্রতি এই পরীক্ষামূলক কাজে ১৩.৬ টেরা ইলেক্ট্রিক ভোল্ট শক্তিতে প্রোটনের সঙ্গে প্রটোনের সংঘর্ষ ঘটিয়েছেন।
বিগং-এই পরীক্ষায় প্রীতম ‘কোয়ালিটি চেক’-এর দায়িত্বে সদস্য। এবং এক্সপেডেন্ট কন্ট্রোল সিস্টামে’র অভিযোগে বালুরঘাটের স্বাতী সাহা। প্রীতম ২০১০ সালে রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে কলকাতার আশুতোষ কলেজে পদার্থ্যবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে রুরকি আইআইটি থেকে স্নাতোকত্তর এবং আইআইটি মুম্বাই থেকে পিএইচডি কমপ্লিট করেন।
বর্তমানে তিনি পোল্যান্ডের ওয়ারশ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনলজিতে পোস্ট ডক্টরেট করছেন। শনিবার প্রীতম জানান, ‘বিগ ব্যাং”-এর সময় ব্রহ্মান্ড খুব গরম ও ঘন অবস্থায় ছিল।বিগ ব্যাং-এর এক লক্ষ সেকেন্ডের এক ভাগ সময় পর ব্রহ্মান্ড কেমন ছিল আমার সেটা জানার চেষ্টা করছি। ‘বিগ ব্যাং’ কী ? এই প্রশ্নের উত্তরে জানা গিয়েছে, উচ্চ ঘনত্ব এবং তাপমাত্রার প্রাথমিক অবস্থা থেকে মহাবিশ্বের প্রসারণ।
