51st CJ took oath : চন্দ্রচূড় জামানার ইতি, প্রধান বিচারপতির পদে শপথ নিলেন সঞ্জীব খান্না ! কে এই খান্না ?
51st CJ took oath
পিঙ্কি সাহা : প্রধান বিচারপতি হিসেবে গতোকাল রবিবার সুপ্রিম কোর্টে শেষ দিন ছিল ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের। আজ সোমবার (১১.১১.২৫) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশের ৫১ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন সঞ্জীব খান্না। এদিন দ্রৌপদী মুর্মু দেশের সর্বচ্চ আদালতের নতুন বিচারপতি হিসেবে সঞ্জীব খান্নাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
Table of Contents
আইনের নিয়ম আনুসারে নতুন বিচারপতি হিসেবে সঞ্জীব খান্নার মেয়াদ কাল স্বল্প সময়ের। অর্থাৎ নতুন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না মাত্র ৬ মাসের জন্য বিচারপতি পদে বসবেন। অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ তিনি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করবেন।
আরো পড়ুন : WB-MP Exsam 2025 : না মানলে বসা যাবে না ২৫-এর মাধ্যমিক পরিক্ষায়, রুটিন থেকে পরীক্ষার তারিখ রইল বিস্তারিত

Justice Sanjiv Khanna Sworn In As 51st Chief Justice of India, Succeeding Justice DY Chandrachud
Justice Khanna was elevated to the Supreme Court from the Delhi High Court on January 18,2019
Article 370 to Arvind Kejriwal bail : Justice Sanjiv Khanna’s defining judgment
নতুন আসীন হওয়া প্রধান বিচারপতির ট্রাক রেকর্ড ?
দেশের সর্বচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না (Justice Sanjiv Khanna) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় গুলিতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন। সেগুলি হল ইভিএমের বৈধতা থেকে শুরু করে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্তির মামলায় রায় বং ইলেকটোরাল বন্ড বা নির্বাচনী বন্ডকে অসংবিধানিক বলে রায় ঘোষণা করেছিলেন।
আরো পড়ুন : Abhishek: রাষ্ট্রসংঘের নারী খমতায়ন ও লিঙ্গসাম্য সংক্রান্ত বিষয়ক অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন অভিষেক

কে এই আইনজীবী সঞ্জীব খান্না ?
৬৪ বছর বয়সী সঞ্জীব খান্না প্রথম ,দিল্লির তিস হাজারির স্থানীয় কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসেবে দিল্লি বার অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত হন। তাঁর পিতা হলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি দেব রাজ খান্না।
এছাড়াও তিনি হলেন এইচআর খান্নার ভাইপো। যিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছিলেন। এরপর ২০০৫ সালে দিল্লি হাইকোর্টে উন্নিত হওয়ার এক বছর পর ২০০৬ সালে স্থায়ীভাবে বিচারকের পদ পান সঞ্জীব খান্না। এরপর কেরিয়ারে আরো এক ধাপ পদন্নতি। ২০১৯ সালে প্রথম সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন তিনি।

সঞ্জীব খান্নার স্মৃতিবিজড়িত কিছু কথা
বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, যিনি আজ দেশের 51 তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ নিয়েছেন, অমৃতসরে তাঁর “নিখোঁজ” পৈতৃক বাড়ির পথে রয়েছেন। প্রাক-স্বাধীনতা যুগের বাড়িটি তাঁর দাদা সরভ দয়াল তৈরি করেছিলেন।
প্রধান বিচারপতি খান্নার দাদা এবং কিংবদন্তি বিচারপতি এইচ আর খান্নার বাবা সারাভ দয়াল তাঁর সময়ের একজন বিখ্যাত আইনজীবী ছিলেন, সূত্র জানায়। তিনি 1919 সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ ঘটনার জন্য গঠিত কংগ্রেস কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন।
সেই সময়ে, তিনি দুটি বাড়ি কিনেছিলেন , একটি জালিয়ানওয়ালাবাগের কাছে কাটরা শের সিংয়ে এবং দ্বিতীয়টি হিমাচল প্রদেশের ডালহৌসিতে। এটি কাটরা শের সিং বাড়ি যা বিচারপতি খান্না সনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। 1947 সালে স্বাধীনতার সময়, কাটরা শের সিংয়ের বাড়িটি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু পরে, তার দাদা এটি পুনরুদ্ধার করেন। প্রধান বিচারপতি খান্নার বয়স যখন পাঁচ বছর, তিনি একবার বাবার সঙ্গে ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে একটি চিহ্ন ছিল যাতে লেখা ছিল ‘বাউজি’, যার অর্থ “দাদা”। এই চিহ্নটি এখনও ডালহৌসির বাড়িতে রাখা আছে। সূত্রের খবর, সারাভ দয়ালের মৃত্যুর পর অমৃতসরের বাড়িটি 1970 সালে বিক্রি হয়ে যায়।

