শান্তি রঞ্জন দাস : বর্তমান যুগে এখন প্রায় সকলেই বাইক ব্যাবহার করে থাকে। বাদ নেই চারচাকা গাড়িও। আর এই বাইক চালাতে প্রয়োজন হয় পেট্রোল এবং গাড়ি চালাতে ডিজেল। রাস্তায় ছুটতে ছুটতে যখন গাড়ির তেল শেষ হয়ে যায় তখন আমরা পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল ভরাই। তেল ভরার সময় পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা বলে থাকেন মিটার জিরো আছে কিনা দেখে নেবার জন্য।
আবার কনোও সময় সেটাও জানায় না অনেক পাম্পের কর্মচারীরা। মিটাতে জিরো আছে কিনা জানানোর কারন যাতে আমরা সঠিক পরিমান তেল পেয়ে থাকি। আমরা তাঁদের কথা মতো মিটার দেখি এবং সেটি শূন্য থেকে শুরু হয়। তেল ভরা শেষ হয়ে গেলে মিটারে ওঠা টাকার পরিমান মিটিয়ে দিয়ে পাম্প থেকে বেরিয়ে যাই। কিন্তু আমরা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে এরিয়ে যাই।
যেটা আমরা লক্ষ করিনা তেল ভরার সময় পাম্পের তেলের ঘনত্বে পরিমান কতটা ছিল। ওই ঘনত্বের পরিমাপের নম্বরের ওপর ওই সময় তেলের গুনমান নির্ভর করে। কিন্তু আমরা অযান্তেই ওই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মাথায় রাখিনা। যার ফলে সে সময় সঠিক গুনমানের তেলটি নাও পেয়ে থাকতে পারি। তাই এই ঘনত্বের নম্বরের ওপর বিশেষ করে নজড় রাখা উচিত।
কারন চালক যদি সঠিক ঘনত্বের পরিমাপ অনুযায়ী তেল গাড়িতে না পায়, তাহলে গাড়ির মাইলেজ যে ভাবে কম পাবে তার সাথে সাথে গাড়ির ইঞ্জিনের খতি হতে পারে। এবার জেনে নেওয়া যাক পাম্পের তেলের ঘনত্বের পরিমান সঠিক আছে কিনা আমরা কী ভাবে বুঝবো। সরকারি দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পেট্রোলের ঘনত্বের ৭২০ থেকে ৭৭৫ কেজি প্রতি কিউবিক মিটার। এবং ডিজেলের ঘনত্ব ৮২০ থেকে ৮৬০ কেজি প্রতি কিউবিক মিটার।
প্রতিদিন পাম্পের কর্মীরা তাঁদের পাম্পের তেলের ঘনত্বের পরিক্ষা করে সেটি তাঁদের মেশিনে আপডেট করে থাক। এবং পাম্পে একটি চার্টের মাধ্যমে দিয়ে থাকে। যদি কখনো গাড়ির চালক পেট্রোল পাম্পে তেল ভরাতে গিয়ে যদি দেখেন তেলের ঘনত্ব পরিমাপ সরকারি দেওয়া পরিমাপের সাথে মিল নেই সেই মুহুর্তে ওই পাম্পে তেল ভরানো সঠিক হবে না। এবং গ্রাহক সেই মুহুর্তে ট্রোল ফ্রী ১৮০০২৩৩৫৫ নম্বরে ফোন করে সেই পাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারে।
