Money Scam : চাকরি দেওয়ার নামে ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাত! থানায় অভিযোগ নিশীথের PA-এর বিরুদ্ধে, বিপাকে BJP
Money Scam
অনুশিবা সেন, জলপাইগুড়ি : লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল নিশীথ প্রামাণিকের পিএ-এর বিরুদ্ধে। মনে করা হচ্ছে উপনির্বাচনের আগে বিজেপি নেতার ঘুষ কান্ডে নাম জড়ানোয় একপ্রকার চাপে পরতে পারে বঙ্গ বিজেপি। অভিযোগ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কথা রাখেনি নিশীথ প্রামানিকের আপ্তসহায়ক। বিজেপি নেতার অভযোগ বিধানসভায় টিকিট ও চাকরি দেওয়ার নামে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন নিশীথের আপ্ত-সহায়ক পরিমল রায়ের বিরুদ্ধে।
Table of Contents
নিশীথের পিএর বিরুদ্ধে এই বড় অভিযোগ এনেছেন ময়নাগুড়ি মাধব ডাঙ্গা এলকার বাসিন্দা বিজেপির মেখলিগঞ্জ-এর ব্লক সভাপতি বিশ্বনাথ শীল। ইতিমধ্যেই বিশ্বনাথ বাবু ময়নাগুড়ি থানায় নিশীথের আপ্ত-সহায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৬(২) ও ৩১৮ (৪) ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরো পড়ুন : 12 injured in grenade attack : শ্রীনগরের বাজারে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলা, ফের রক্তাক্ত হল উপত্যকা

এরপরেই পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বর্তমানে বিজেপির ব্লক সভাপতি বিশ্বনাথ শীল বলেন, ২০১৪ সালে সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করি। এরপর পরিচয় হয় বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিকের সাথে। একদিন উনাকে ফোন করে সময় চেয়ে নিয়ে তাঁর বাড়ি যাই।
50 lakh rupees embezzled in the name of giving employment
Police complaint against BJP leader Nishith Pramanik’s PA
Bishwanath Sheel, BJP’s block president of Mekhliganj, brought this big complaint against Nishith’s PA

উনাকে জানাই আমার এক অনাত্ন ভাগ্নের কথা জানাই তারপর তাঁর জন্য একটি চাকরির কথা বলি। উনি দিল্লিতে চাকরির আশ্বাসও দেন। কিন্তু বিশ্বনাথ বাবু জানান আমার ভাগ্নে অনাথের কারণে সেই সময় আমি আর রাজি হইনি।
এরপর কিছুদিন পর পরিমল রায় নিশীথ প্রামানিকের আপ্ত-সহায়কের পরিচয় দিয়ে ২০২১ সালে বিধানসভায় টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে এবং চাকরি দেবার নামে ধাপে ধাপে কখনো ২ লক্ষ ,আবার কখনো ৫ লক্ষ করে ৫০ লক্ষ টাকা অনলাইনে নিশীথ প্রামাণিকের আপ্ত-সহায়ক পরিমল রায়কে তিনি দিয়েছেন।

অপরদিকে নিশীথ প্রামাণিকের দাবি অভিযুক্ত পরিমল রায় নামে তাঁর কনো আপ্ত-সহায়ক নেই। এই অভিযোগের পর পরিমল রায় সংবাদ মাধ্যমের সাথে কনো যোগাযোগ করতে চায়নি। কদিন পরেই রাজ্যে ৬ জেলার বিধানসভার উপনির্বাচন তাঁর আগে বিজেপি এই ঘটনায় অনেকটাই যে চাপে পড়বে তা কিছুটা আঁচ পেয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

