Mamata Banarjee: ফের নতুন প্রকল্পের ঘোষণা মমতার,১০০০ টাকা করে পাবে এবার ছেলেরাও, রইল বিস্তর
Mamata Banarjee
কেয়া সরকার : এবার ছেলেরাও পেতে চলেছে মেয়েদের লক্ষী ভান্ডারের মত প্রকল্পের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা। মহালয়ের সুভক্ষণে এই নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিস্কপ্রসুত বিভিন্ন জনমুখি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে শুন্য থেকে আশি বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
Table of Contents
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রকল্পের মধ্যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প অত্যন্ত জনপ্রীয়। তবে এতোদিন মহিলাদের জন্য এই সুবিধা রাজ্য সরকার প্রদান করলেও তবে পুরুষদের জন্য এতোদিন এই ধরনের কনো প্রকল্প ছিল না।
আরো পড়ুন : Supreme Court: ঔধর্ত্য, এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টকে চ্যালেঞ্জ,”জেনে রাখুন আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না” !
Announcement of Chief Minister’s new project
Under the new scheme boys are also going to get Rs 1000 per month
The name of this new scheme of the state government is “Krishak Bhata”
কিন্তু এবার মুখ্যমন্ত্রী মহালয়ের সুভক্ষণে নতুন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ছেলেদের জন্যও প্রতিমাসে ১০০০ টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। নতুন এই প্রকল্পের নাম “কৃষক ভাতা প্রকল্প”।

আরো পড়ুন : Recovered Drugs ₹ 2000 Cr. : বড় সাফল্য, অভিযান চালিয়ে উদ্ধার ২০০০ কোটি টাকার ড্রাগ !
রাজ্যসরকারের নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কৃষকেরা প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে আর্থিক সহয়তা পাবেন। পুরুষেরা মাসে ১০০০ টাকা এবং তফশিলি জাতির ও উপজাতির মহিলারা মাসিক আর্থিক অনুদান হিসেবে ১২০০ টাকা করে পাবেন।
আবেদনের পদ্ধতি
এই প্রকল্পে আবেদন করা খুবি সহজ। অফলাইনের মাধ্যমে করতে হবে এই আবেদন।
প্রথমত অনলাইনে ওয়েবসাইট থেকে আনেদনপত্র ডাউনলোড করে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত সেটি ডাউনলোড করতে হবে এ৪ কাগজে। এবং সেটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে। তৃতীয়ত আবেদন পত্রের সাথে আবেদনপত্রটি ফিলাপ হয়ে গেলে আবেদন পত্রের সাথে প্রয়োজনীয় নথির জেরক্স করে খামে ভরে মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। চতুর্থত এরপর মুখ বন্ধ আবেদন পত্রটি স্থানীয় ব্লক কৃষি অধিকর্তার অফিসে জমা করতে হবে।
কৃষক ভাতা প্রকল্পে আবেদন করতে যোগ্যতা কি লাগবে ?
শর্ত অনুযায়ী প্রথমত আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। অথবা ১০ বছরের বাসীন্দা হতে হবে প্রমান সহ। দ্বিতীয়ত আবেদনকারীর বয়স ৬০ বছরের অধিক হতে হবে। তফশিলি জাতি ও উপজাতির কৃষকদের জন্য বয়েসে ছাড় দিয়ে বয়সের সীমা ৫৫ বছর।
তৃতীয়ত আবেদনকারী কৃষকের নামে সর্বাধিক এক একর জমি থাকতে হবে। চতুর্থত ভূমিহীন কৃষকেরাও এই প্রকল্পের আওতায় আবেদন করতে পারবেন। পঞ্চমত আগে যদী আবেদনকারী কৃষক কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কনো ভাতা পান বা পাচ্ছেন, তাহলে তিনি এই প্রকল্পে আবেদন করার যোগ্য।

যে সকল প্রয়োজনীয় নথিপত্র লাগবে
প্রথমত জমীর মালিকানার তথ্যের কাগজ , দ্বিতীয়ত ব্যাঙ্কের পাসবই-এর প্রথম পাতার জেরক্স, তৃতীয়ত আধার কার্ড অথবা রেশন কার্ডের জেরক্স, চথুর্তত স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের শংসাপত্র, পঞ্চমত ব্যবহৃত একটি এক্টিভ মোবাইল নম্বর এবং ষষ্ঠত শারোরিক অক্ষমতার শংসাপত্র।
