TRAI : মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বড় খবর, রিচার্জে খরচ কমতে পারে প্রায় ৭০ শতাংশ ! কী বলছে TRAI
TRAI
মুনাই ঘোষ : ডেটা ছাড়া মোবাইল রিচার্জ প্ল্যানগুলো শীঘ্রই আরও সাশ্রয়ী হতে পারে। এটি সম্ভব করার জন্য টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ট্রাই) একটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে। গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ‘টেলিকমিউনিকেশন কনজিউমার প্রোটেকশন রেগুলেশনস, ২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রকাশ করেছে।
আরো পড়ুন : Iran War LIVE : আবারো কী তেল সঙ্কট ? ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান !পাল্টা তীব্র আক্রমন আমেরিকার

এমন অনেক গ্রাহক আছে যাদের ডেটার প্রয়োজন হয় না, অথচ তাঁদের সেই ডেটা প্যাক নিতে হয়। আর সেখানেই ট্রাই-এর বক্তব্য গ্রাহকেরা বর্ধিত অর্থ প্রদান করবেন কেনো। সেই কারনে “ট্রাই” রিচার্জে খরচ কমতে নতুন নিয়মগুলো চূড়ান্ত করার আগে… টেলিকম সংস্থা এবং জনসাধারণের কাছ থেকে মতামত যাচাই করেছে।
আরো পড়ুন : LIVE : মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ! ভিয়েতনামে স্পিডবোট উল্টে ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত, চলছে উদ্ধার অভিযান
নতুন প্রস্তাবটি কী ?
বর্তমানে, টেলিকম কোম্পানিগুলো শুধুমাত্র কয়েকটি সীমিত মেয়াদের জন্য কল ও এসএমএস-সহ রিচার্জ প্যাক অফার করে। এর ফলে, অনেক গ্রাহক যাদের শুধু কলিং পরিষেবা প্রয়োজন, তারা ডেটাসহ আরও দামী প্ল্যান কিনতে বাধ্য হন।
ট্রাই এখন প্রস্তাব করেছে যে, টেলিকম কোম্পানিগুলো যদি ৭, ২৮, ৫৬ বা ৮৪ দিনের মেয়াদের ডেটা প্ল্যান দেয়, তবে তাদের অবশ্যই একই মেয়াদের জন্য শুধু কল ও এসএমএস-এর প্ল্যানও দিতে হবে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সাশ্রয়ী বিকল্প পাবেন।
দাম কতটা কমবে ?
যেহেতু মোবাইল প্ল্যানের খরচের ৫০-৭০ শতাংশই ডেটার জন্য, তাই নতুন নিয়মটি কার্যকর হলে শুধু কল-এসএমএস প্ল্যানের দাম অর্ধেকেরও কম হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ৩০০ টাকার একটি প্ল্যান ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় পাওয়া যেতে পারে।
কারা লাভবান হয় ?
ফিচার ফোন ব্যবহারকারী এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা, যারা ডেটা ব্যবহার করেন না। যারা শুধু কলের জন্য একটি দ্বিতীয় সিম রাখেন। এছাড়াও, যাদের বাড়িতে ওয়াই-ফাই আছে, তাদের জন্যও এটি উপকারী হবে।
আরো পড়ুন : Grenade attack : আসাম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে গ্রেনেড হামলা ! উদ্দেশ্য ছিল রেল নির্মাণস্থল উড়ানোর
কোম্পানিগুলো নতুন নিয়মগুলো বাস্তবায়নের জন্য সময় পাবে।
টেলিকম কোম্পানিগুলো প্ল্যানগুলোর চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করবে। নতুন নিয়মগুলো চালু হওয়ার পর, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য তাদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, এই পরিবর্তনগুলো টেলিকম অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াবে, যার ফলে ব্যবহারকারীরা আরও সাশ্রয়ী প্ল্যানের বিকল্প পাবেন।


বিগত প্রায় এক বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রতিবেদন লিখতে পারদর্শী।
