তীর্থঙ্কর মুখার্জি : আর্থিক তছরুপের মামলায় ঝারখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের পর এবার একি মামলায় অভিযুক্ত তার সহকারী প্রেম প্রকাশের জামিন দেয় দেশের সর্বচ্চ আদালত। বিআর গাভাই এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথের বেঞ্চে জামিন মঞ্জুরের পর বলেন, আইনের নীতিতে ‘জামিনই নিয়ম’। সেখানে ‘জেল ব্যতিক্রম’ (Bail is the rule and jails is the exception)।
আর এই গুরুত্বপূর্ণ রায়ের পরই পিএমেলএ মামলায় গ্রেপ্তারি নিয়ে উঠল বড় প্রশ্ন। আর্থিক তছরুপের মামলাতেও এই নিয়ম কার্যকর হয়। তাহলে কী অনুব্রত মন্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ ‘পিএমএলএ’ মামলায় জেলে থাকা নেতাদের জামিন পাওয়ার পথ অনেকটাই মসৃণ হল ? বুধবার সুপ্রিম কোর্টের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ের পরি স্পষ্ট হচ্ছে সেই ইঙ্গিতই।
Supreme Court granted bail in PMLA case
what does the law say ?
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে দুই বিচারপতির বেঞ্চের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়
PMLA Act. Bail is the rule and jails is the exception
👉🏿 ইডি আর্থিক তছরুপ অর্থ পাচার মামলায় অভিযুক্ত কনোও ব্যক্তিকে তাঁর নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বাধ্যকরতে পারে না। ‘পিএমএলএ’-এর ধারা ৫০-এর অধীনে ইডিকে দেওয়া ক্ষমতা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২০(৩)-এর অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে না।
👉🏿 অপরাধ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত কোনও ব্যক্তিকে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন শাস্তি দেওয়া যায় না।
👉🏿 যদি কোনও অভিযুক্ত ‘পিএমএলএ’-এর একটি মামলায় হেফাজতে থাকে এবং ইডির দ্বারা তদন্ত করা অন্য মামলায় সে নিজের দোষ স্বীকার করে কোনও বক্তব্য দেন, তবে সেই বক্তব্য তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
👉🏿 ইডিকে যদি অন্য কোনও মামলায় সাক্ষ্য নিতে হয়, তাহলে তাকে সেই আদালতের অনুমতি নিতে হবে, যে আদালত অভিযুক্তকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।
👉🏿 যদি কোনও অভিযুক্ত ইতিমধ্যে একটি মামলায় অভিযুক্ত থাকে, তাহলে তার হেপাজতে থাকা অবস্থায় অন্য কনোও মামলায় তাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে না।
