Mamata : ‘এশিয়ার’ প্রথম মহিলা হিসেবে ডি.লিট. সন্মান পেল মমতা,”দরিদ্র মহিলা ও শিশুদের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন”
Mamata
মুনাই ঘোষ : বুধবার কলকাতায় এসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে জাপানের একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টর অফ লিটারেচার (ডি. লিট.) ডিগ্রি প্রদান করে। এরি সাথে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা এশিয়ার প্রথম মহিলা হিসেবে মমতা পেলেন এই ডি.লিট. সন্মান।

বুধবার ১২ নভেম্বর আলিপুরের ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ওই সন্মান প্রদানের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। জাপানের ওকায়ামা ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট নাসু ইয়াসুতোমা এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্তিত হয়ে তিনি বলেন, “দরিদ্র মহিলা ও শিশুদের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন মমতা”।
সামাজিক সুরক্ষা দিতে বিশেষ করে মহিলা এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য প্রকল্প চালু করেছেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন উল্লেখ করেন, জাপানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বাংলার।
মমতা আরো বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে ওই প্রতিনিধিরা বিজিএস-এ যোগ দিতে বাংলায় আসে। এরপরেই জাপানে আমন্ত্রণ জানায়। এরপর মে মাসে আমন্ত্রণ জানিয়ে একটি চিঠি লিখে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়েই জানিয়ে দেই এই বছর যেতে পারব না। এর উত্তরে তাঁকে জানানো হয় তিনি আসতে না পারলে আমরা যাব। এরপর কি আর এড়াতে পারতাম। সৌজন্যকে সম্মান জানানো উছিত ছিল। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বছরের পর বছর ধরে, ভারতের আরও তিনটি নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান করেছে। তিনি প্রথমবারের মতো ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই সম্মাননা লাভ করেন, যখন তৎকালীন গভর্নর কেশরী নাথ ত্রিপাঠী তাকে ডিগ্রি প্রদান করেন।
পাঁচ বছর পর, ২০২৩ সালে, সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় তাকে আবারও সম্মানিত করে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাকে এই পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়াও, তিনি ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি (KIIT) থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।
মমতাকে প্রায়শই গভীর সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক প্রবণতাসম্পন্ন একজন নেত্রী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি কবিতা ও গদ্যের বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন, যা সাহিত্যিক মহলে একজন সৃজনশীল এবং চিন্তাশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বছরের পর বছর ধরে, ব্যানার্জি তার প্রশাসনিক দক্ষতা, গণসংযোগ এবং সামাজিক বিষয়গুলির প্রতি সংবেদনশীলতার জন্য ভারতের অন্যতম সম্মানিত নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।


বিগত প্রায় এক বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রতিবেদন লিখতে পারদর্শী।
