তীর্থঙ্কর মুখার্জি : সতর্ক প্রশাসন কারন ২৭ আগস্ট নবান্ন অভিযানে হিংসার ছক এবং উস্কানি দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। এই অভিযানে নেই কংগ্রেস, সিপিএম-এর কনোও ছাত্র সংগঠন। তাহলে প্রশ্ন উঠছে তাহলে কী শুধুই বিজেপি এবং আরএসএস ? উত্তর খুঁজছে এখন আমজনতা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, নির্দোষ পড়ুয়াদের এগিয়ে দিয়ে এবং এই মিছিলকে ঢাল করে দুষ্কৃতীরা পুলিশকে আক্রমণের ছক কষছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সমাজ মাধ্যমে গজিয়ে ওঠা এই ভার্চুয়াল সংগঠন এতটাই ছাত্র ও “জাস্টিস” প্রেমি যে, তারা জানেই না “ইউজিসি নেট” ( UGC NET ) কবে। ২৭ আগস্ট নবান্ন অভিযানের দিনই “ইউজিসি নেট”-এর পরিক্ষা থাকায় রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানোর বার্তা দিয়েছেন।
আরো পড়ুন : Derhadun: কিশোরী গণধর্ষণে কান্ডে ধৃত ৫, আরজি করের পর শতর্ক প্রশাসন, গোপনিয়তা লঙ্ঘনে করা পদক্ষেপ
২৭ আগস্ট নবান্ন অভিযান নিয়ে বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখপাধ্যায় ( Minakshi Mukhopadhyay ) বলেছেন, জানতে পেরেছি একটা নবান্ন অভিযান আছে। এখানে আমার নাম যুক্ত করা হচ্ছে, আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি। এর সঙ্গে বাম সংগঠনের কোনও যোগ নেই। আরেসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ , ছাত্র সমাজের ফাঁদে পা দেবেন না।

উল্লেখ্য দিন কয়েক আগে ভার্চুয়ালের আড়াল থেকে বেরিয়ে সামনে আসেন তিনি যুবক। নিজেদের ছাত্র সমাজের প্রতিনিধি বলে দাবি করা এই তিন যুবক হলেন শুভঙ্কর হালদার ( Suvankar Halder), প্রবীর দাস ( Prabir Das ) ও সায়ন পালিত ( Sayan Palit )। কিন্তু এরি মধ্যে ‘ছাত্র সমাজের’ এই তিন প্রতিনিধির ঠিকুজি বেরিয়ে গিয়েছে। এই তিনমূর্তি “বিজেপির (BJP) নানা সংগঠনের পতাকার তলায় আসলে কী করেন, তা সোশ্যাল মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র অরুপ চক্রবর্তী (Arup Chakraborty)।
August 27 Nabanna violence table
Gerua Shibir is provoking the students
There is no left-right in Nabanna ‘Avijan’
Careful administration
এই বিষয়ে তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পরিষ্কার জানিয়েছেন, “ছাত্র সমাজ” বলে কোনও সংগঠন নেই। এসব এবিভিপির পিছনের দরজার নেমপ্লেট। পাশাপাশি তিনি এও জানান, একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্র সমাজের প্রতিনিধি বলে দাবি করা শুভঙ্কর হালদার এবিভিপির নবদ্বীপ শাখার সভাপতি।
