মোদী সরকারের রোষনজরে এবার আমজনতা ! নয়া আইনে খোয়াতে বসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার সাধিনতা

তীর্থঙ্কর মুখার্জি : সোশ্যাল মিডিয়া এবার ব্যবহারকারীরা সাবধান। মোদী সরকার আনতে চলা নয়া আইনে সোশ্যাল মিডিয়ায় না পসন্দ পোস্টে পরতে হবে আইনের জালে। বর্তমানে ডিজিটাল যুগে নতুন পেশা এবং পরিচয়ের নাম ইউটুবাররা অথবা ইনফ্লুয়েন্সার। একা কিংবা দল বেঁধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান ধরনের বিষয় কিংবা কন্টেন্ট করে জনপ্রিয় হয়ে আয় করে চলেছে অর্থাৎ অর্থ উপার্জনের দারুন প্লাটফ্রম খুঁজে পেয়েছে।

সেই জায়গায় কেন্দ্র আনতে ছলেছে নয়া আইন। অর্থাৎ এখন থেকে ইচ্ছে হলে আর রাজনীতি, সরকারি নীতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পোস্ট করলে চলবে না। কারন কেন্দ্র সরকার সেটিকে বেফাঁস মনে করলেই সেই নতুন আইনের জালে জড়িয়ে পড়তে হবে সেই পোস্টদাতাকে। তৈরি করা হয়েছে নতুন ব্রডকাস্টিং বিলের খসরা

ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে যেভাবে বিধিনিষেধের আওতায় আনা হয়েছে, ঠিক একি নিয়ম প্রযোজ্য হবে ডিজিটাল কন্টেন্টেও। এই বলে যুক্ত করা হয়েছে ‘টেক্সট’, ‘অডিও’, ‘ভিস্যুয়াল’ ইত্যাদি শব্দ। এক কথায় সমস্ত কিছুর নিয়ন্ত্রণ।

আরো পড়ুন : CHOPRA : স্ত্রী ফোনে সারাক্ষন ব্যাস্ত থাকায় নিত্যদিন সংসারে অশান্তি ! ভয়ানক পদক্ষেপ নিল স্বামী

এই বিল একেবারেই অত্যন্ত গোপনে এবং সতর্কভাবে খতিয়ে দেখছে কিছু বিশেষজ্ঞ মহল যা একেবারেই বেনজির। কারন সরকার কনো আইন প্রণয়নের পূর্বে প্রথম পদক্ষেপ বিল তৈরি করা। সেই বিলের খসড়া তৈরি করে সেই ব্যাপারে মতামতের জন্য বিশেষজ্ঞদের বিলি করা হয় এবং বহুক্ষেত্রে মন্তুকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরাসরি দেশবাসির কাছে মতামত চাওয়া হয়ে থাকে।

কিন্তু এই খসড়া বিল নিয়েই চলছে গোপনিয়তা। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতেই দেশজুড়ে বাড়ছে আশঙ্কা এবং প্রতিবাদ। তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, দেশের সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে এবার সরাসরি আইনের বেড়াজালে আনার মুল লক্ষ্য এই বিল।

আরো পড়ুন : প্যারিস অলেমিক্সে ভারতের হয়ে ছুটছে মনু-ঘোড়া! ফাইনালে পৌঁছে পদকের হ্যাট্রিক শুধু সময়ের অপেক্ষা

এদিন রাজ্যসভায় বিলের বিষয়টি নিয়ে সরব হন তৃণমূলের এমপি জহর সরকার। লিখিত প্রশ্নে তিনি জানতে চান ডিজিটাল সাংবাদিকতা এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের ফারাক কমিয়ে আনা হচ্ছে এরকম কনো বিল আসছে কিনা ? সরকারের তরফে তথ্য-সম্প্রচার রাষ্ট্রমন্ত্রী এল মুরুগান সরাসরি প্রশ্নগুলির উত্তর না দিয়ে রহস্য জিইয়ে রেখে বলেন, ড্রাফট ব্রডকাস্টিং সার্ভিসে বিল তৈরি হয়েছে।

আলাপ আলোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে বিলি করা হয়েছে। সেখানেই তৃণমূলের সাংসদ অভিযোগ করেন, সংসদ জানে না, অথচ কর্পোরেট ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে এই বিল চলে গেল ? তথয়েব এই বিল থেকে পরিষ্কার সরকার বিরোধী কোনও মন্তব্য কিংবা বক্তব্যের উপর চলবে আইনত নজরদারি।

Leave a Comment