পিঙ্কি শর্মা : মহারাষ্ট্র-ছত্তীসগঢ় সীমান্তের বন্দোলী গ্রামে ১৫ মাওবাদী লুকিয়ে আছে বলে বুধবার (১৭.০৭.২৪) গোপন সূত্রে খবর পৌঁছয় পুলিশের কাছে। এরপরেই বিলম্ব না করে অভিযানে নামে মহারাষ্ট্র পুলিশ। এরপর আনুমানিক সকাল ১০ টার নাগাদ ডেপুটি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ডিপ জঙ্গলে অপারেশন শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী।
টের পেয়ে গুলি চালাতে শুরু করে মাওওবাদীরা। দুই পক্ষের মধ্যে চলে টানা ৬ ঘন্টা ধরে গুলির লড়াই। সেই গুলিড় লড়াইয়ে খতম হয় ১২ জন মাওবাদী। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২টি ইনসাস এবং ৭টি স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। গতোকালের পর বাকী মাওবাদীর খোঁজে শুরু হয়েছে জোর তল্লাশি।
মহারাষ্ট্র পুলিশের তরফে জানানো হয়, ১২ জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে, তাঁর মধ্যে ১১ জনের পরিচয় জানা না গেলেও এর মধ্যে একজনকে সনাক্ত করা গিয়েছে তিনি হলেন, মাওবাদীদের ডিভিশনাল কমিটির সদস্য লক্ষণ আতারাম ওরফে বিশাল আতারাম।
তিনি টিপাগড় দালাম এলকায় মাওবাদীদের দায়িত্বে ছিলেন। গুলির লড়াইয়ে জখম হয়ে নাগপুরে চিকিৎসাধিন এক সাব ইন্সপেক্টর ও এক জওয়ান। এই মাওবাদী নিকেশ অভিযানে বড় সাফল্য পেল মহারাষ্ট্র পুলিশ।
